জয়নুল আবেদীন ফারুক

জয়নুল আবেদীন ফারুক ১৯৪৯ সালের ১০ই  ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলার ইয়ারপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মওলানা আবদুল হক।জয়নুল আবেদীন ফারুক একজন এমএ ডিগ্রীধারী। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্তির পর তিনি ব্যবসা এবং রাজনীতি ও সমাজসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্র জীবনে। পরে কিছুকাল রাজনীতি থেকে দূরে থেকে ১৯৯০ সালে বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও সংসদে বিরোধী দলীয় চীফ হুইc। তিনি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পর পর পাঁচ বার টানা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হ্ওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন জয়নুল আবেদীন ফারুক।

এর আগে তিনি ৫ম ও ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদেরবিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। তাছাড়া জয়নুল আবেদীন ফারুক ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জয়নুল আবেদীন ফারুক ব্যক্তিগত ও প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসাবে বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে দুই কন্যা সন্তানের জনক। খেলাধুলা ও গান শোনা তাঁর প্রিয় শখ।

বরকত উল্লাহ বুলু

বরকত উল্লাহ বুলু নোয়াখালীর মির্জানগর, নাটেশ্বর বেগমগঞ্জে ১৯৫৬ সারের ১০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আবদুর রহমান এবং মা কর্ফুলেন্নেসা। বটতলি বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ১৯৮০ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করার মধ্য দিয়ে শিক্ষা জীবন শেষ করেন। বরকত উল্লাহ বুলু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওঁতপ্রোতভাবে জড়িত। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক পর্যায়ে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফকে ২৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন বরকত উল্লাহ বুলু বিজয়ী হন। এ বিজয়ই তাঁর জীবনের প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার সৌভাগ্য বয়ে আনে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদলের উল্লেখযোগ্য পদে সমাসীন ছিলেন। ১৯৮৯ সালে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। . ১৯৮০ সালে যুব প্রতিনিধি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে চীনে যান। বর্তমানে বরকত উল্লাহ বুলু টিএন্ডটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি, ফিল্ম সেন্সর বোর্ড সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য। তিনি মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল জাতীয় স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য ছিলেন। গ্রামে মানুষের সাথে কথা বলা। নাটক দেখা, গান শোনা এবং কবিতা পাঠজনাব বুলুর শখ। ২ পুত্র সন্তানের জনক বরকত উল্লাহ বুলু ১৯৮১ সালে শামীম আক্তার লাকীকে বিয়ে করেন। শামীম আক্তার ১৯৮০-৮২ তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন|